হঠাৎ করেই মানব শরীর থেকে উধাও হয়ে যেত মস্তিষ্ক। কিন্তু কিভাবে?
১৯৬৫ এর আশেপাশে আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়াতে অদ্ভুত কোনো কারণে মানুষ মারা যাওয়ার অনেকগুলো ঘটনা সামনে এসেছিলো। মৃত লোকদের শরীর নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষনা করতে গিয়ে এক ভয়ংকর ঘটনা সামনে আসে। যেখানে মৃত মানুষদের মাথায় মস্তিষ্কই ছিল না। হঠাৎ করেই মানুষের মস্তিষ্ক উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনার বিষ্ময় চারিদিকে ছড়িয়ে গিয়েছিলো। কিভাবে এতগুলো মানুষের শরীর থেকে মস্তিষ্ক উধাও হয়ে যায়।
১৯৬৫ সালেই অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানীরা এর রহস্য বের করতে সক্ষম হয়েছিলো। তারা এমন এক প্রজাতির অদ্ভুত অ্যমিবার সন্ধান পায় যাদের প্রধান খাদ্য অন্যকিছু নয় হিউম্যান ব্রেইন। মেডিক্যালের ভাষায় এর নাম 'নাইগ্লেরিয়া ফোলেরি' (Naegleria Fowleri)। এ প্রজাতির অ্যমিবাগুলো এককোষী হয়ে থাকে ৷ ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে এ অ্যমিবাগুলো বিশুদ্ধ কিংবা ফুটন্ত পানিতে থাকার ক্ষমতা রাখে৷ সেই পানি যখন মানুষ পান করে তখন পানির মাধ্যমে অ্যমিবাটি শরীরে প্রবেশ করে মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌছে যায়। এরপর মাত্র ৭দিনেই উক্ত ব্যাক্তির মস্তিষ্ক পুরোপুরি গ্রহণ করে নেয়।
১৯৬৫ সালেই অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানীরা এর রহস্য বের করতে সক্ষম হয়েছিলো। তারা এমন এক প্রজাতির অদ্ভুত অ্যমিবার সন্ধান পায় যাদের প্রধান খাদ্য অন্যকিছু নয় হিউম্যান ব্রেইন। মেডিক্যালের ভাষায় এর নাম 'নাইগ্লেরিয়া ফোলেরি' (Naegleria Fowleri)। এ প্রজাতির অ্যমিবাগুলো এককোষী হয়ে থাকে ৷ ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে এ অ্যমিবাগুলো বিশুদ্ধ কিংবা ফুটন্ত পানিতে থাকার ক্ষমতা রাখে৷ সেই পানি যখন মানুষ পান করে তখন পানির মাধ্যমে অ্যমিবাটি শরীরে প্রবেশ করে মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌছে যায়। এরপর মাত্র ৭দিনেই উক্ত ব্যাক্তির মস্তিষ্ক পুরোপুরি গ্রহণ করে নেয়।


কোন মন্তব্য নেই